ICBIID 2019

আইআইইউসি’র ওরিয়েণ্টেশন অনুষ্ঠানে প্রফেসর ড. মোহাম্মদ আলী আজাদী

জ্ঞান-সাগরে ডুব দিতে চাইলে লাইব্রেরীতে যেতেই হবে

জ্ঞান-সাগরে ডুব দিতে চাইলে  লাইব্রেরীতে যেতেই হবে

আন্তর্জাতিক ইসলামী বিশ্ববিদ্যালয় চট্টগ্রাম (আইআইইউসি) এর প্রো ভাইস-চ্যান্সেলর প্রফেসর ড. মোহাম্মদ আলী আজাদী বলেছেন, জ্ঞান-সাগরে ডুব দিতে চাইলে লাইব্রেরীতে যেতেই হবে। হাজার সমুদ্রের কোটি কোটি ঢেউ বইয়ের পাতায় বন্দী, জ্ঞান অন্বেষণকারীরা লাইব্রেরীতে গিয়ে এই ঢেউ আবিষ্কার করে। আর যারা আন্তরিকতার সাথে লাইব্রেরীর রক্ষণাবেক্ষন করে, তারা মূলত যতেœর সাথে জ্ঞানকে সংরক্ষণ করে।
গতকাল সোমবার সকালে কুমিরাস্থ স্থায়ী ক্যাম্পাসে আইআইইউসি‘র লাইব্রেরী এন্ড ইনফরমেশন ডিভিশন (এলআইডি) আয়োজিত পোস্ট গ্র্যাজুয়েট ডিপ্লোমা ইন লাইব্রেরী এন্ড ইনফরমেশন সাইন্স এর ১৯তম ব্যচের নবাগত ছাত্র-ছাত্রীদের ওরিয়েন্টেশন অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথির বক্তব্যে আইআইইউসি‘র প্রো ভাইস চ্যান্সেলর এ অভিমত ব্যক্ত করেন। আইআইইউসি‘র সমাজ বিজ্ঞান অনুষদের ডীন প্রফেসর ড. মোঃ আবদুল মান্নান চৌধুরীর সভাপতিত্বে অনুষ্ঠিত এ আয়োজনে বিশেষ অতিথি ছিলেন ইকনোমিক্স এন্ড ব্যাংকিং বিভাগের চেয়ারম্যান ড. মোঃ শরীফুল হক। স্বাগত বক্তব্য রাখেন পোস্ট গ্র্যাজুয়েট ডিপ্লোমা ইন লাইব্রেরী এন্ড ইনফরমেশন সাইন্স এর কোর্স কো-অর্ডিনেটর আইয়ুব হোসেন। অন্যান্যের মধ্যে বক্তব্য রাখেন লাইব্রেরী এন্ড ইনফরমেশন ডিভিশনের লাইব্রেরীয়ান মোঃ জাহাঙ্গীর আলম এবং ছাত্র-ছাত্রীদের পক্ষে বক্তব্য রাখেন নাহিদ হাসান ও ইয়াসমিন আকতার।
প্রধান অতিথির বক্তৃতায় প্রো ভাইস-চ্যান্সেলর প্রফেসর ড. মোহাম্মদ আলী আজাদী বলেন, আমাদের জ্ঞানের পরিধী সীমিত। প্রকৃত জ্ঞান ¯্রষ্টার কাছে, তাই আমরা সমকালীন সময়ে প্রকৃত অনেক কিছুই আবিষ্কার করতে পারছিনা। তিনি বলেন, জ্ঞানার্জন ছাড়া এই বিশ্বকে বোঝা এবং আধুনিক বিশ্বে টিকে থাকা সম্ভব নয়।
বিশেষ অতিথির বক্তব্যে ইকনোমিক্স এন্ড ব্যাংকিং বিভাগের চেয়ারম্যান ড. মোঃ শরীফুল হক বলেন, শিক্ষার্থীরা ভবিষ্যতে এক একজন লাইব্রেরীয়ান হবে। এখানে যে স্বপ্ন দেখানো হয়েছে তা বাস্তবায়নে ব্রতী হতে হবে। তিনি বলেন, পণ্যের চেয়ে সেবার মূল্য অনেক বেশী। তাই স্ব স্ব ক্ষেত্র ও অবস্থান থেকে সততার সাথে সেবা প্রদান করতে হবে।
সভাপতির বক্তব্যে আইআইইউসি‘র সমাজ বিজ্ঞান অনুষদের ডীন প্রফেসর ড. মোঃ আবদুল মান্নান চৌধুরী বলেন, লাইব্রেরীর মূল কাজ হলো প্রশিক্ষণ ও শিক্ষার সমন্বয়ে সেবা প্রদান করা। বিগত দিনের গতানুগতিক গ্রন্থাগার ব্যবস্থাপনার স্থলে বর্তমানে কম্পিউটার প্রযুক্তিভিত্তিক স্বয়ংক্রিয় গ্রন্থাগার ব্যব¯থাপনা স্থান করে নিয়েছে। তাই আমাদের শিক্ষার্থীদেরও এ ব্যাপারে যথাযথ জ্ঞান অর্জনপূর্বক বিভিন্ন শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানে গুণগতমান সম্পন্ন গ্রন্থাগার গড়ে তোলার ক্ষেত্রে অগ্রণী ভূমিকা পালন করতে হবে। তিনি আরো বলেন, শুধু বই নাড়াচাড়া করলে হবে না, পেশাগত দক্ষতা বাড়াতে হবে এবং গবেষণায় মনোনিবেশ করতে হবে।

Recent News