Opening Ceremony of Science Olympiad

 

আইআইইউসি’র বিজ্ঞান অলিম্পিয়াড অনুষ্ঠানে ড. এ.কে.এম আজহরুল ইসলাম
পুরো জগৎটাই হলো বিজ্ঞানময় বিজ্ঞান ছাড়া কিছু ভাবা যায়না

আন্তর্জাতিক ইসলামী বিশ্ববিদ্যালয় চট্টগ্রাম (আইআইইউসি)’র ভাইস-চ্যান্সেলর প্রফেসর ড. এ.কে.এম আজহারুল ইসলাম বলেছেন, পুরো জগৎটাই বিজ্ঞানময়। বিজ্ঞান ছাড়া কিছু ভাবা যায়না। জীবন ও জগৎ বুঝতে হলে বিজ্ঞান জানতে হবে। তিনি বলেন বিজ্ঞান অলিম্পিয়াড হচ্ছে বুদ্ধির প্রতিযোগিতা যা বিশাল পরিসরে বড় অর্জনের সুযোগ করে দেয়।

আজ শুক্রবার কুমিরাস্থ স্থায়ী ক্যাম্পাস মিলনায়তনে আন্তর্জাতিক ইসলামী বিশ্ববিদ্যালয় চট্টগ্রাম (আইআইইউসি)-এর তত্ত্ববধানে বাংলাদেশ একাডেমী অব সায়েন্স-এর আয়োজনে বিভাগীয় বিজ্ঞান অলিম্পিয়াডের আনুষ্ঠানিক পর্বে প্রধান অতিথির বক্তব্যে প্রফেসর ড. এ.কে.এম আজহারুল ইসলাম এ অভিমত ব্যক্ত করেন। আইআইইউসি‘র স্থায়ী ক্যাম্পাস চীফ এবং বিজ্ঞান ও প্রকৌশল অনুষদের ডীন প্রফেসর ড. মোঃ দেলাওয়ার হোসাইন’র সভাপতিত্বে অনুষ্ঠিত এ আয়োজনে বিশেষ অতিথি হিসাবে বক্তব্য রাখেন আইআইইউসি’র প্রো ভাইস চ্যান্সেলর প্রফেসর ড. আবু বকর রফীক । অতিথি হিসেবে বক্তব্য রাখেন বিজ্ঞান অলিম্পিয়াডের মিডিয়া পার্টনার দৈনিক সমকালের সিনিয়র রিপোর্টার সরোয়ার সুমন। স্বাগতঃ বক্তব্য রাখেন বিজ্ঞান অলিম্পিয়াড কমিটির সদস্য সচিব এবং আইআইইউসি’র সিএসই বিভাগের সহযোগী অধ্যাপক সামসুল আলম। মঞ্চে দুই পর্বের অনুষ্ঠান সঞ্চালনায় ছিলেন আইআইইউসি‘র স্টুডেণ্ট এফেয়ার্স ডিভিশনের অতিরিক্ত পরিছালক মোঃ মামুনুর রশীদ এবং আইআইইউসি’র সিএসই বিভাগের সহকারী অধ্যাপক ফারহানা হায়দার। জাতীয় পতাকা, বাংলাদেশ একাডেমী অব সায়েন্স, আইআইইউসি ও দৈনিক সমকালের পতাকা উত্তোলনের মাধ্যমে সকাল ৯টায় দিনব্যাপী এই বর্ণাঢ্য আয়োজনের সূচনা হয়। এর পর ছিল বিজ্ঞান অলিম্পিয়াডের সারা দেশের সময়সূচী অনুসারে সকাল ১০টা থেকে ১২টা পর্যন্ত লিখিত পরীক্ষা এবং সমাপনী পর্ব ও পুরস্কার বিতরণ অনুষ্ঠান। উল্লেখ্য ৩৩টি স্কুল ও ১৪টি কলেজের ৩৪৮ জন ছাত্র-ছাত্রী এই বিজ্ঞান অলিম্পিয়াড-এ অংশগ্রহণ করে।

প্রধান অতিথির বক্তব্যে আইআইইউসি’র ভাইস চ্যান্সেলর প্রফেসর ড. এ.কে.এম আজহারুল ইসলাম বলেন, বিজ্ঞান অলিম্পিয়াড থেকেই বাংলাদেশের ভবিষ্যৎ বিজ্ঞানী গড়ে উঠবে। এ আয়োজনে অংশগ্রহণকারী ৩৪৮ জন ছাত্র-ছাত্রীকে সৌভাগ্যবান উল্লেখ করে তিনি বলেন বাংলাদেশের বেসরকারী বিশ্ববিদ্যালগুলোর মধ্যে সুন্দর ও বৃহত্তম ক্যাম্পাসে তাদের একটি স্মরণীয় দি অতিবাহিত হলো।

বিশেষ অতিথির বক্তব্যে আইআইইউসি‘র প্রো ভাইস চ্যান্সেলর প্রফেসর ড. আবু বকর রফীক বলেন, প্রতিযোগিতার মাধ্যমে মেধার যাচাই হয়। বিজ্ঞান অলিম্পিয়াডের মাধ্যমে মেধার বিকাশ ঘটবে এবং এসব মেধাবী প্রজন্ম দেশ ও জাতির কল্যাণে মেধার স্বাক্ষর রাখবে বলে তিনি আশাবাদ ব্যক্ত করেন। তিনি আরও বলেন, গড়প্রতি বিবেচনায় বাংলাদেশের তরুণরা অনেক মেধাবী। উন্নত দেশগুলোর বিশ্ববিদ্যালয়ের ফলাফলে তার প্রতিফলন দেখা যায়।

অতিথির হিসেবে বক্তব্যে মিডিয়া পার্টনার দৈনিক সমকালের সিনিয়র রিপোর্টার সরোয়ার সুমন বলেন, এখন চারদিকেই বাণিজ্য চলছে। বাণিজ্যের এই যুগে বিজ্ঞান নিয়ে এই আয়োজন প্রশংসার দাবী রাখে। তিনি বলেন, এই বিজ্ঞান অলিম্পিয়াড থেকে হয়তো আইনস্টাইন বেরুবেনা, কিন্তু গৌরব করার মতো, দেশের মুখ উজ্জ্বল করার মতো একটি প্রজন্ম উপহার পাবে জাতি।
সমাপনী পর্বে বিজ্ঞান অলিম্পিয়াডের বিজয়ীদের মাঝে পুরস্কার হিসেবে পদক ও সনদপত্র তুলে দেন প্রধান অতিথি আইআইইউসি’র ভাইস চ্যান্সেলর প্রফেসর ড. এ.কে.এম আজহারুল ইসলাম এবং অন্যান্য অতিথি। স্কুল বিভাগে প্রথম, দ্বিতীয় ও তৃতীয় স্থান অর্জন করেন যথাক্রমে কলেজিয়েট স্কুলের অনিক মজুমদার, এহতেশামুল আজিম এবং চট্টগ্রাম সরকারী উচ্চ বিদ্যালযের আসিফ আনজুম খান। কলেজ বিভাগে প্রথম, দ্বিতীয় ও তৃতীয় স্থান অর্জন করেন যথাক্রমে মোঃ ওয়ালিউল্লাহ চৌধুরী, সাহিক আহমেদ ও অর্ণব দাশগুপ্ত। এরা তিনজনই সরকারী চট্টগ্রাম কলেজের ছাত্র।  প্রেস বিজ্ঞপ্তি

(মোসতাক খন্দকার)
জনসংযোগ কর্মকর্তা
আন্তর্জাতিক ইসলামী বিশ্ববিদ্যালয় চট্টগ্রাম